এবার গ্রীষ্মে ভয়াবহ লোডশেডিংয়ের শঙ্কা ক্যাবের, উড়িয়ে দিলেন জ্বালানি উপদেষ্টা

154

গ্রীষ্মে দেশে লোডশেডিং হবে না জানিয়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান আশ্বস্ত করে বলেছেন, বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সব প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। অন্যদিকে ভোক্তার অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠন ক্যাব বলছে, ভয়াবহ লোডশেডিংয়ে পড়তে যাচ্ছে গ্রামের মানুষ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ শীত শেষে বাড়ছে তাপমাত্রা, একই সঙ্গে বাড়ছে বিদ্যুতের চাহিদাও। বিদ্যুৎ বিভাগের তথ্য, আসন্ন রমজানে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা থাকবে ১৫ হাজার ৭০০ মেগাওয়াট। গ্রীষ্মে যা দাঁড়াবে ১৮ হাজারে।


এরইমধ্যে দেশের বিভিন্ন এলাকায় শুরু হয়েছে লোডশেডিং। এমন পরিস্থিতিতে আশ্বস্ত করে জ্বালানি উপদেষ্টা বলছেন, রোজা ও গ্রীষ্মে বাড়তি বিদ্যুতের যোগান দেয়ার প্রস্তুতি আছে। তবে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে না নামানোর আহ্বান তার।

 
শনিবার (২২ ফেব্রুয়ার) রাজধানীর উত্তরায় বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) ভবনে নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদন নিয়ে আয়োজিত সেমিনারে তিনি বলেন, আইএমএফ চাপ দিলেও ৬ মাসে বিদ্যুতের দাম বাড়ায়নি অন্তর্বর্তী সরকার। জ্বালানি খাতে ৪২ হাজার কোটি টাকা ভর্তুতি দিতে হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

জ্বালানি উপদেষ্টা জানান, বর্তমানে গ্রাহকরা প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম দিচ্ছেন ৮ টাকা ৯০ পয়সা। অথচ সরকার কেনে ১২ টাকায়। অনিয়ম দুর্নীতির কারণে বছরে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ভর্তুকি যাচ্ছে ৪২ হাজার কোটি টাকা। এমন প্রেক্ষাপটে আইএমএফ বিদ্যুতের দাম বাড়াতে চাপ দিচ্ছে বলে জানান উপদেষ্টা।

ভবিষ্যতে শিল্পখাতে যারা নতুন করে গ্যাস সংযোগ নেবেন তাদের বাড়তি দর দিতেই হবে বলে জানিয়েছে জ্বালানি মন্ত্রণালয়। ৭০ টাকায় গ্যাস কিনে তা কম দামে দিতে নারাজ সরকার।

এদিকে, রাজধানীর বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রে সংবাদ সম্মেলনে ভোক্তা অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠন ক্যাব জানিয়েছে, এরই মধ্যে গ্রামে তীব্র হচ্ছে লোডশেডিংয়ের শঙ্কা। ভয়াবহ লোডশেডিংয়ে পড়তে যাচ্ছে গ্রামের মানুষ।
 

কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) জ্বালানি উপদেষ্টা এম শামসুল আলম বলেন, প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ সরবরাহের সক্ষমতা নেই অন্তর্বর্তী সরকারের।
 
জ্বালানির দাম বৃদ্ধির প্রক্রিয়াকে জুলাই বিপ্লবের সঙ্গে সাংঘর্ষিক উল্লেখ করে বক্তারা ব