বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বের তালিকায় তারেক রহমান

14

খ্যাতনামা মার্কিন সাময়িকী টাইম-এর বিশ্বের প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও গণমানুষের নেতা তারেক রহমান টাইম ১০০ মোস্ট ইনফ্লুয়েনশিয়াল পিপলস অব-২০২৬ এর বর্ণাঢ্য তালিকায় স্থান পেয়েছেন। বিশ্ববিখ্যাত সাময়িকী টাইম এই স্বীকৃতির মাধ্যমে তাঁর দুরদর্শী নেতৃত্ব, সীমাহীন সাহসিকতা এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের পথে অসামান্য অবদানকে আন্তর্জাতিক পরিসরে স্বীকৃতি দিয়েছে। গভীর আনন্দ ও গৌরবের সঙ্গে অবহিত করছি যে,ঐতিহাসিক এই মুহূর্ত বাংলাদেশের জন্য গৌরব, আবেগ ও গণতান্ত্রিক মাইলফলক বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন। গতকাল বুধবার নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তিনি এই তথ্য জানান।

 

 

ঢাকা: প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বিশ্বের প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকায় স্থান পেয়েছেন। নিউইয়র্কভিত্তিক টাইম ম্যাগাজিন আজ এ তালিকা প্রকাশ করে।

এই তালিকায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার, পোপ লিও চতুর্দশ, ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, নেপালের প্রধানমন্ত্রী বলেন্দ্র শাহ এবং নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানিসহ বিভিন্ন খ্যাতিমান ব্যক্তি স্থান পেয়েছেন।

‘লিডারস’ (নেতৃত্ব) ক্যাটাগরিতে এ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন তারেক রহমান।

টাইম ম্যাগাজিন তার প্রোফাইলে লিখেছে, ‘কয়েক মাস আগেও দক্ষিণ-পশ্চিম লন্ডনে নির্বাসিত জীবন কাটাচ্ছিলেন তারেক রহমান। কিন্তু ২০২৪ সালে স্বৈরাচারী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পতন তাকে বিরোধী আন্দোলনের নেতা থেকে জাতীয় নেতৃত্বের কেন্দ্রে নিয়ে আসে, যা তিনি ফেব্রুয়ারিতে বিপুল নির্বাচনী বিজয়ের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করেন।’

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এ বিজয়ের মাধ্যমে তিনি তার মা খালেদা জিয়ার পথ অনুসরণ করেন, যিনি বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং ঢাকায় তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনের পাঁচ দিনের মাথায় তিনি মারা যান।

ম্যাগাজিনটি জানায়, জানুয়ারিতে টাইমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তারেক রহমান বলেন, ব্যক্তিগত শোককে তিনি দেশের ঐক্য প্রতিষ্ঠা ও অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করার কাজে নিয়োজিত করবেন।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, তরুণদের বেকারত্ব এবং আঞ্চলিক শক্তি ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি, এসব চ্যালেঞ্জ দ্রুত সমাধানের দাবি রাখে।

এতে আরও বলা হয়, অতীতের দুর্নীতির অভিযোগ (যদিও আদালতে খারিজ হয়েছে) তার রাজনৈতিক সময়কালকে সীমিত করতে পারে। তবে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক নির্বাসনের পর তিনি সময় নষ্ট করতে চান না।

তারেক রহমান টাইমকে বলেন, ‘আমাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে, ঐক্যবদ্ধ হতে হবে—যাতে মানুষ তাদের রাজনৈতিক অধিকার পায়।’