ঢাকা: নির্বাসন ও সংগ্রামের দীর্ঘ দেড় যুগের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে দেশের মাটিতে পা রেখেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।দীর্ঘ প্রায় দেড় যুগের নির্বাসিত জীবনের অবসান ঘটিয়ে অবশেষে মাতৃভূমির মাটিতে পা রেখেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার সঙ্গে এসেছেন স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও কন্যা জাইমা রহমান। আজকের এই প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে তার দীর্ঘ নির্বাসনের অধ্যায়ের অবসান ঘটল।
তাদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বেলা ১১টা ৪৪ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে তাকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যরা। তারেক রহমান সেখানে উপস্থিত বিএনপি নেতাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।বিমানবন্দরে ফুলের মালা দিয়ে তারেক রহমানকে বরণ করে নেন তার শাশুড়ি সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানু। এ সময় সেখানে তার স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও কন্যা জাইমা রহমানও ছিলেন।
এর আগে বাংলাদেশ সময় রাত ১২টায় তারেক রহমান তার স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও কন্যা জাইমা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের নিয়মিত ফ্লাইটে বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর ত্যাগ করেন। বিমানবন্দর থেকে তারেক রহমান সরাসরি রাজধানীর কুড়িল সংলগ্ন পূর্বাচলের জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়েতে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।
সংবর্ধনা শেষে তিনি এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মা বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। পরে গুলশান-২ এর ১৯৬ নম্বর বাড়িতে যাওয়ার কথা রয়েছে তার।বিতর্কিত ‘ওয়ান-ইলেভেন’ সরকারের সময় গ্রেপ্তার করা হয় তারেক রহমানকে। পরে ২০০৮ সালে কারামুক্ত হয়ে সপরিবারে যুক্তরাজ্যে যান তিনি। এরপর দীর্ঘ সময় তিনি সেখানেই অবস্থান করেন। তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান একাধিকবার দেশে এলেও তারেক রহমানের ফেরা হয়নি।