উক্ত স্মৃতিচারন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ড. সুকমল বড়ুয়া, এডভোকেট জেড আই খান পান্না, বিচারক তারিক হায়দার, ব্যারিস্টার সারা হোসেন ও সাংবাদিক শরিফুল ইসলাম খান সহ আরও অনেকে। সমাজের বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষের আগমনে অডিটোরিয়াম কানায় কানায় পূর্ন হয়ে যায়।
বিকাল চারটা হতে সন্ধ্যা সাত ঘটিকা প্রযন্ত স্মৃতিচারন অনুষ্ঠানে আগত অতিথিবৃন্দ গভীর মনোযোগে স্মৃতিচারন আলোচনা শ্রবন করেন এ্যাড সিগমা হুদার ছোট কন্যা শ্রাবন্তী আমিনা হুদার সমাপনী বক্তব্যের মাধ্যমে স্মৃতিচারন অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষনা করা হয়। অনুষ্ঠানে ছাত্র জনতা আন্দোলনে শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও মনোজাত করা হয়।

উল্লেখ্য,গত (১৭ জুলাই) বুধবার রাত ৮টায় ঢাকার ইউনাইটে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। এডভোকেট সিগমা হুদা প্রয়াত সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা’র সহধর্মীনি ছিলেন।
পরদিন বাদ ফজর রাজধানীর ধানমন্ডির সাত মসজিদ রোডের মসজিদ প্রাঙ্গণে তাঁর প্রথম জানাজা শেষে সকাল ১০ টায় জানাজা শেষে নিজ এলাকা দোহার উপজেলার পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ২য় দফা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর শাইনপুকুর গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে স্বামী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা’র পাশে তাঁকে দাফন করা হয়।

এডভোকেট সিগমা হুদার পরিবার রাজনৈতিক ইতিহাস ও শিক্ষা-দীক্ষায় বিখ্যাত ফরিদপুরের কবির পরিবার। বিচিত্র ও বর্ণাঢ্য জীবনের অধিকারী এ পরিবারের সদস্যরা। এ পরিবারের উজ্জ্বলতম সদস্য হলেন বিখ্যাত কবি ও ভারতের নেহেরু এবং শাস্ত্রী সরকারের শিক্ষামন্ত্রী প্রয়াত হুমায়ুন কবির। হুমায়ুন কবিরের মেয়ে লায়লা কবিরের স্বামী হচ্ছেন ভারতের প্রখ্যাত রাজনীতিক, বাজপেয়ী সরকারের সাবেক প্রতিরক্ষা, শিল্প ও রেলওয়ে মন্ত্রী জর্জ ফার্নান্দেজ। হুমায়ুন কবিরের এক ভাই হলেন ভারতের প্রখ্যাত শ্রমিক নেতা জাহাঙ্গীর কবির। তার ছেলে আলতামাস কবির ছিলেন ভারতের ৩৯তম প্রধান বিচারপতি। হুমায়ুন কবিরের আরেক ভাই আকবর কবির ছিলেন জিয়াউর রহমান সরকারের তথ্য উপদেষ্টা। আকবর কবিরের মেয়ে হলেন সিগমা হুদা ও খুশী কবির। সিগমা হুদার স্বামী বিএনএ’র সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা।



