ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে গত ৫ আগস্ট পদত্যাগ করে দেশ ছাড়েন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর থেকে দেশের বেশিরভাগ সিটি ও পৌর মেয়র-কাউন্সিলররা এবং জেলা ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান-সদস্যরা পলাতক। এতে এসব স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বিঘ্নিত হচ্ছে, ভোগান্তিতে পড়েছেন সেবা প্রার্থীরা। এই প্রেক্ষাপটে আইনগুলো সংশোধনের উদ্যোগ নেয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪-এ দুটি নতুন ধারা—১৩(ক) ও ২৫(ক); স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪-এ দুটি নতুন ধারা—৩২(ক) ও ৪২(ক); জেলা পরিষদ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪-এ দুটি নতুন ধারা—১০(খ) ও ৮২(ক); উপজেলা পরিষদ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪-এ দুটি নতুন ধারা—১৩(ঘ) ও ১৩(ঙ) যুক্ত করা হয়েছে।
একটি ধারায় বলা হয়েছে, বিশেষ পরিস্থিতিতে সরকার অত্যাবশ্যক বিবেচনা করলে, জনস্বার্থে কোনো মেয়র-কাউন্সিলর ও চেয়ারম্যান-ভাইস-চেয়ারম্যান, মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান বা অন্য সদস্যদের অপসারণ করতে পারবে।
নতুন অন্তর্ভুক্ত অন্য ধারায় বলা হয়েছে, বিশেষ পরিস্থিতিতে সরকার অত্যাবশ্যক বিবেচনা করলে, জনস্বার্থে কার্যাবলী সম্পাদনের জন্য একজন উপযুক্ত ব্যক্তি বা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত উপযুক্ত কর্মকর্তাকে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দিতে পারবে।
প্রয়োজনে যথাযথ বলে বিবেচিত হয় এমন সংখ্যক সদস্য সমন্বয়ে গঠিত কমিটিকে প্রশাসকের কাজে সহায়তা দিতে নিয়োগ করতে পারবে। নিযুক্ত প্রশাসক এবং নিযুক্ত কমিটির সদস্যরা স্থলাভিষিক্ত পদের ক্ষমতা প্রয়োগ করবে।



