নিউজ ডেস্কঃ অলিকুল শিরোমণি, মাহবুবে সোবহানি-কুতুবে রাব্বানী -গাউসে সামদানি-কিন্দিলে নুরানি-নুরে ইয়াজদানী গাউসুল আযম, পীরানে পীর, মীর মহিউদ্দিন হযরত শেখ সৈয়্যদ শায়খ আব্দুল কাদের জিলানী (রাদিআল্লাহু তাআ’লা আনহু)র পবিত্র শুভ বেলাদাত শরীফ।
★ইসলাম ও মুসলমানদেন ক্রান্তিকালে আল্লাহ ও রসূলের যেসব প্রিয়পাত্র তাদের অসাধারণ বেলায়েতী শক্তি ও সময়োচিত যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে ইসলামের প্রকৃত আদর্শকে কায়েম করে পৃথিবীর ইতিহাসে চির অম্লান ও আল্লাহ পাকের সৃষ্টির অন্তরে পরম ভক্তি শ্রদ্ধার স্থান করে নিয়েছেন, তাদের মধ্যে হুজুর গাউসে পাক হযরত শায়খ আবদুল কাদির জীলানী (রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)’র নাম মধ্যাহ্ন সূর্যের ন্যায় সমুজ্জ্বল।
৪৭০ হিজরীর ১ রমজানুল মোবারকে শাহেনশাহে বাগদাদ জম্মগ্রহন করেন, উনার পিতার নাম হযরত আবূ সালেহ মুসা জঙ্গী দোস্ত (রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু) এবং মহিয়াসী মাতার নাম হযরত সাইয়্যেদাহ উম্মুল খায়ের ফাতিম (রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহুমা), তিনি বংশীয় ধারায় তার পিতা ও মহীয়াসি মাতা – এ দুধারায় যথাক্রমে হযরত গাউসুল আযম সৈয়্যদুনা ইমাম হাসান (রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু) ও ইমামে কারবালা সৈয়্যদুনা হযরত ইমাম হুসাইন (রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)’র মাধ্যমে মাওলা আলী শেরে খোদা (আল্লাহ তা’আলা আনহু) ও হযরত যাহরা বাতুল, ফাতিমা যাহরা (সালামুল্লাহি আলায়হা) হয়ে হুযুর পূরনুর, রাহমাতুল্লিল আলামীন হযরত মুহাম্মদ মুস্তাফা (ﷺ) পর্যন্ত পৌছে যায়।
বাংলাভাষীগন তাকে একান্ত ভক্তি ভরে নামের পরিবর্তে ‘বড়পীর’ এবং “গাউসুল আযম” বলে স্মরণ করেন। ইসলামের ইতিহাসে ক্রান্তিকালে দ্বীনকে পুনরায় জীবিত করার কারনে তিনি “মুহিউদ্দিন’ (দীনকে পুনরর্জীবিতকারী) এবং আল্লাহর সৃষ্টিকে যথাসময়ে সাহায্যকারী হিসাবে তিনি ‘গাউসুল আযম’ হিসাবে পরিচিত।
মহান আল্লাহ তায়ালা হুজুর গাউসে পাকের বেশুমার রুহানি ফয়ুজাত বরকত আমাদের নসিব করুন
– আমিন ছুম্মা আমিন ইয়া রাব্বুল আলামিন – সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম।



