ঢাকাঃ সংসদীয় আসন বাতিলের রায়: আদলতের চলমান মামলার মধ্যে একদিকে আসন বাতিলের রায় এবং পূর্বে থাকা আসনের প্রাথী ঘোষনা যা জনমনে অসন্তোষ ও রাজনৈতিক অঙ্গনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে নির্বাচন কমিশন (ইসি) প্রাথমিকভাবে গাজীপুরে আসন সংখ্যা পাঁচটি থেকে বাড়িয়ে ছয়টি আসন সৃষ্টি করেছিল।
মূল তথ্য: উল্লেখ্য যে, গাজীপুর-৬ আসনটি পুনর্বহালের দাবিতে স্থানীয় বাসিন্দারা ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা আন্দোলন করলেও, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ আসনটি বাতিল (বিলুপ্ত) করে দিয়েছেন।
সর্বোচ্চ আদালতের এই রায়ের ফলে, নির্বাচন কমিশনের (ইসি) পক্ষ থেকে পূর্বে জারি করা গেজেট বাতিল হয়ে যায় এবং গাজীপুরে সংসদীয় আসন আগের মতোই পাঁচটি বহাল থাকে।
আন্দোলন ও বিক্ষোভ: গাজীপুর-৬ আসনটি বাতিলের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে টঙ্গী ও আশেপাশের এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা এবং বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীরা ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছিলেন।
আইনি প্রক্রিয়া:
নির্বাচন কমিশন (ইসি) প্রাথমিকভাবে গাজীপুরে আসন সংখ্যা পাঁচটি থেকে বাড়িয়ে ছয়টি করেছিল এবং বাগেরহাটে আসন চারটি থেকে কমিয়ে তিনটি করেছিল। ইসির এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট করা হয়।
আপিল বিভাগের রায়:
হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে ইসির করা লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) ১০ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে খারিজ করে দেন আপিল বিভাগ। প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের আপিল বেঞ্চ সর্বসম্মতিক্রমে এই আদেশ দেন। এর ফলে বাগেরহাটের চারটি আসন বহাল থাকে এবং গাজীপুরের একটি আসন কমে যায়।
যার ফলে দীর্ঘ দিন গণতন্ত্র ও ভোটের অধিকার পুনরুদ্ধারের লড়াইয়ে থাকা ত্যাগী ও আন্দোলন সংগ্রামে সারথী রাজনৈতিক নেতা কমীদের কে গণতন্ত্র ও নির্বাচন চর্চায় বাধা সৃষ্টি হিসেবে বিবেচিত।
আপিল বিভাগের এই আদেশের পর গাজীপুর-৬ আসনটি আর বিদ্যমান নেই, পরবর্তী সংসদ নির্বাচন গাজীপুরের পাঁচটি আসনেই অনুষ্ঠিত হবে।
যা আসলেই গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার দূর্বলতা হিসেবে বিবেচিত এবং নির্বাচন কমিশন (ইসি) ধারা সৃষ্ট এই সংকট রাজনৈতিক অঙ্গনে কখনোই মূলধারার রাজনৈতিক শিষ্টাচার কিংবা সুশাসন সম্ভব নয়। সুপ্রিমকোর্টের এই রায় জনমনে অসন্তোষ ও রাজনৈতিক অঙ্গনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।



